• বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে উচ্চতর ডিগ্রি এম এস ও এম ডি এবং ৩৩তম বিসিএস এ চান্স প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী

    “নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে চলতি বছরে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে উচ্চতর ডিগ্রি এম এস ও এম ডি এবং ৩৩তম বিসিএস এ চান্স প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের  সংবর্ধনা”

    আজ ডিসেম্বর১১,২০১৪ তারিখে রোজ বৃস্পতিবার নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত কলেজ থেকে  এম বি বি এস পাশকৃ্ত ছাত্র-ছাত্রী যারা ৩৩তম বিসিএস এবং বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রি(এম ডি এবং এম এস) এ চান্সপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা  হয়।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড: আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ এবং  বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আনছার আলী।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপ-অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবু ইউসুফ মিয়া, অধ্যাপক মোঃ সোহরাব আলী, অধ্যাপক মোঃ ফজলুল হক,অধ্যাপক মোঃ ময়েজ উদ্দিন, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, সহ অন্যান্য অধ্যাপক, বিভাগীয় প্রধান সহ অন্যান্য শিক্ষক মণ্ডলীগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড: আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ বলেন- উন্নত বিশ্বের মত চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মান সম্মত চিকিৎসক তৈরির কাজে নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।যারই ফলাফল হলো চলতি বছসরে অর্থাৎ ৩৩তম বিসিএস এ তিন (৩) জন সহ  অন্যান্য সরকারী চাকুরীতে দশ (১০) জন চান্স পাওয়া এবং  বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রি এম ডি এবং এম এস এ পাঁচ (৫) জন  ছাত্রের চান্স পাওয়া এরই ফলাফল বহন করেন।

    খুবই আনন্দের খবর যে, নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে এই বছর বভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রীতে সুযোগ পেয়েছে। উচ্চ শিক্ষার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছার জন্য সকলকে লেখাপড়ার প্রতি মনোনিবেশ হতে হবে। এছাড়া নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের নতুন প্রজন্মকে আ্ধুনিক সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমাদের এই ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য পড়াশুনার মান বজায় রাখার জন্য সবাইকে আন্তরিক হতে হবে।